রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১১:০৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদের আয়োজনে অনুদানের চেক ও দুঃস্থ, অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন সাতক্ষীরায় ঈদের জামাত কোথায় কখন অনুষ্ঠিত হবে ঈদুল আযহা : রাত পোহালেই ঈদ ঃ শেষ মুহুর্তের চেষ্টা পছন্দের গরু ছাগল সংগ্রহের ঃ গ্রামে গ্রামে হাটে বাজারে ও চলছে গরু ছাগল কেনা বেচা কালিগঞ্জের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জাঁকজমকপূর্ণ বিদায় সংবর্ধনা শ্যামনগর আটুলিয়া সংসদ উপজেলা চেয়ারম্যানের সংবর্ধনা প্রদান সাতক্ষীরায় ঈদে সড়কে শৃংখলা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান কৈখালীতে ঘুর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কালিগঞ্জের তেঁতুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জাঁকজমকপূর্ণ বিদায় সংবর্ধনা প্রদান মানব কল্যাণে কাজ করছে প্রজ্ঞা ফাউন্ডেশনঃ নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আনন্দ মোহন বিশ্বাস

আগামী জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ হবে: প্রধানমন্ত্রী

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৫ মে, ২০২৩

এফএনএস: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন যে বাংলাদেশে আগামী সাধারণ নির্বাচন গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার সমুন্নত রেখে অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল বুধবার র‌্যাফেলস হোটেলে কাতার ইকোনমিক ফোরামে (কিউইএফ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে কথোপকথন শীর্ষক এক অধিবেশনে তিনি বলেন, সুতরাং, আমাদের সরকারের অধীনে অবশ্যই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। কিউইএফ-এর হোস্ট এবং এডিটর হাসলিন্দা আমিন অনুষ্ঠানস্থলে জনাকীর্ণ হল রুমে এই অধিবেশন পরিচালনা করেন। শেখ হাসিনা বলেন, সুতরাং আমি এখানে এসেছি আমাদের জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে? তিনি বলেন, জনগণই ঠিক করবে কে দেশ চালাবে। এটা জনগণের ক্ষমতা। তাই আমি জনগণের ক্ষমতা নিশ্চিত করতে চাই। তিনি আরো বলেন, আমি এখানে ক্ষমতা দখল না করার জন্য এসেছি, বরং আমি জনগণকে তাদের অধিকার দিতে চাই যাতে তারা তাদের সরকার বেছে নিতে পারে। নির্বাচনে সব দলের অংশ নেওয়ার বিষয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, তারা (বিএনপি) স্বাচ্ছন্দ্যবোধ নাও করতে পারে। কিন্তু অন্য অনেক দল আছে, যারা নির্বাচনে অংশ নেবে। তিনি বলেন, কিছু দল আছে যারা নির্বাচনে অংশ নেবে না। তারা কীভাবে অংশ নেবে? তাদের আমলে দেশ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আমাদের জনগণ কষ্ট পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের সময় সন্ত্রাসী কর্মকাÐ বেড়ে গিয়েছিল। দেশের সর্বত্রই ছিল দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও শোষণ। তারা কখনো মানুষকে নিয়ে ভাবেনি। আমাদের জনগণের দিনে এক বেলা খাবার পাওয়া ছিল খুব কঠিন। এই ছিল তখন দেশের পরিস্থিতি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর জনগণের সবকিছু নিশ্চিত করেছে। তাই এখন নির্বাচন, এটা তো জনগণের অধিকার। আমরা জনগণের জন্য কী করেছি, মানুষ তা বুঝতে পেরেছে। তারা যদি আমাদের ভোট দেয়, আমি এখানে আছি, যদি না দেয়, ঠিক আছে। শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে তার অনুপস্থিতিতে তাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা এবং পরে দেশে ফিরে আসার কথা স্মৃতিচারণ করে বলেন, তখন থেকে আমরা গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটের অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সংগ্রাম শুরু করি। এটা ছিল আমাদের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার সংগ্রাম এবং আমরা এটি করেছি। বিএনপিকে নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচন নিয়ে তো কেউ কোন প্রশ্ন তোলেনি। কী ছিল সেই নির্বাচনের ফলাফল? যে দলটি (বিএনপি) প্রশ্ন তোলে, তাদের দল, তাদের নেতৃত্বাধীন ২০ দল মিলে সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে মাত্র ২৯টি আসন পেয়েছিল। শেখ হাসিনা দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, তিনি এখানে আছে, জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য। কারণ জনগণেরই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত কে দেশ পরিচালনা করবে। তিনি বলেন, এটি (ভোট) জনগণের শক্তি, আমি জনগণের ক্ষমতা নিশ্চিত করতে চাই। আমি এখানে ক্ষমতা দখল করার জন্য নয় বরং আমি আমাদের জনগণের ক্ষমতায়ন চাই। তাদের সরকার বেছে নেওয়ার অধিকার থাকা উচিত। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে বিভিন্ন উপ-নির্বাচনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকারের আমলে অনেক উপ-নির্বাচন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়েছে। এসব নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। আপনি দেখতে পারেন, কারা সমস্যা তৈরি করছে, আমরা নই। তবে প্রত্যেক নির্বাচনে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে। সরকার সবাইকে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠানোর অনুরোধ করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, সুতরাং আমি আপনাকে বলতে পারি, আমি এখানে আছি আমার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে এবং এটা আমাদের সংগ্রাম। শেখ হাসিনা বলেন, তিনি ক্ষমতায় আছেন দেশের সেবা করতে এবং জনগণের সেবা করতে, যাতে তারা অধিকতর ভালো ও সমৃদ্ধ জীবন পায়। বিএনপি অপরাধী ও খুনিদের দল- এমন মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। আইএমএফের ঋণের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা ঋণ পরিশোধ করতে পারে, আইএমএফ শুধু তাদের ঋণ দেয়। কোনো দেশ ঋণ পরিশোধ করতে পারবে কি পারবে না, তা বিবেচনা করে আইএমএফ সেই দেশকে ঋণ দেয়। বাংলাদেশ অবশ্যই ঋণ পরিশোধে সক্ষম।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com