বুধবার, ০৭ জুন ২০২৩, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন

আশাশুনিতে তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্রিক কিশোর গ্যাঙের হামলায় আহত-২

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৫ মার্চ, ২০২৩

আশাশুনি প্রতিনিধি \ আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কিশোর গ্যাঙের হামলায় ২ জন মারাত্মক জখম হয়েছে। এঘটনায় মারাত্মক জখম হয় বুধহাটা ইউনিয়নের নৈকাটি গ্রামের খলিল মোড়লের ছেলে রেজওয়ান হোসেন রনি এবং একই গ্রামের পঞ্চিম পাড়ার রউফ সরদারের ছেলে মঈন হোসেন। এদের দুজনকেই আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলেও রেজওয়ানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরামর্শে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ব্রেনের সিটি স্কানসহ অন্যান্য পরিক্ষা নিরিক্ষা শেষে আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এব্যাপারে কিশোর গ্যাঙের লিডার নৈকাটি গ্রামের শহিদুল মাস্টারের ছেলে সবুজকে প্রধান আসামি করে থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করেছেন নৈকাটি গ্রামের রেজওয়ান হোসেন রনির পিতা খলিলুর রহমান মোড়ল। এজাহার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাগেছে, একই গ্রামের শহিদুল গাজী ওরফে শহিদুল মাস্টারের ছেলে সবুজ গাজীর সাথে বাদীর ছেলে রেজওয়ানের ৯/১০ দিন পূর্বে নৈকাটি দাখিল মাদ্রাসার দাখিল পরিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বিষয়ে কথা কাটাকাটি হলে সবুজ-রনিকে দেখে নেওয়ার হুমকী দেয়। এরই জের ধরে গত বুধবার বেলা ২ টার দিকে রেজওয়ান কুঁন্দুড়িয়া হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান দেখে বাড়ি ফেরার পথে সবুজের নেতৃত্বে চিলেডাঙ্গা গ্রামের নজরুল গাইনের ছেলে ইমন, পাইথালী গ্রামের রাজ্জাকের ছেলে সুমন, আলতাপের ছেলে নাফিজ, মুনছুরের ছেলে ফিরোজসহ অন্যরা কুন্দুড়িয়া গ্রামের পাখির মোড় নামক ৩ রাস্তার মোড়ে পথ আটকে বাঁশের লাঠি, দা ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ী ভাবে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। এসময় রনি অচেতন হয়ে মাটিতে পড়ে গেলে বুকে পেটে পায়ের গোড়ালি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। এসময় রেজওয়ানের সাথে থাকা মঈন তাকে ঠেকাতে এলে নেশাগ্রস্থ ছেলেরা মঈনের চোখের উপরিভাগে তাল গাছের কাটা যুক্ত বেগু দিয়ে আঘাত করলে সে রক্তাক্ত জখম হয়ে পড়ে যায়। রেজওয়ানকে জানে মেরে ফেলতে দেখে নৈকাটি গ্রামের শফি মোড়লের ছেলে রিয়াদ হোসেন তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে গ্যাঙের ছেলেরা তাকেও মারধর করে। অবস্থা বেগতিক দেখে স্থানীয় ও পাইথালী বাজারের লোকজনের সহযোগিতায় মারাত্মক জখম রেজওয়ান হোসেন রনিকে উদ্ধার করে আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এসময় তার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ও ভিভো টার্চ ফোন ছিনিয়ে নিয়ে রনিকে পরবর্তীতে জীবন নাশের হুমকী দিয়ে চলে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com