মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হারিয়ে যাচ্ছে ডাক বিভাগের ঐতিহ্য \ দেখা নেই চিঠি হাতে ডাক পিয়নের চিঠির পরিবর্তে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার \ কুরিয়ার সার্ভিস গুলোর সেবার মান নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই মিরাজের দৃঢ়তায় বুক কাঁপিয়ে জয় টাইগারদের বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের অধিনায়ক সাফ জয়ী সাবিনা খাতুন ও ডিফেন্ডার মাসুরা পারভীনকে সংবর্ধনা প্রদান দেশ বাঁচাতে নৌকায় ভোট দিন \ চট্টগ্রামের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বীর নিবাস পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির সাতক্ষীরায় বকচরা এলজিইডির কাপেটিং রাস্তায় কাজের উদ্বোধন এমবাপে-জিরুদের গোলে শেষ আটে ফ্রান্স সাতক্ষীরায় কমিউনিটি ক্লিনিকে রোগী দেখলেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ফারহাদ জামিল সশস্ত্র বাহিনীর জন্য আধুনিক ও সময়োপযোগী যুদ্ধাস্ত্র সংগ্রহ করছে সরকার -প্রধানমন্ত্রী কলারোয়ায় সরিষা ফুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত ফসলের মাঠ

আসামে বন্যা কবলিত ৮ লাখ মানুষ

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় রবিবার, ২২ মে, ২০২২

এফএনএস বিদেশ: ভারতের আসাম রাজ্য ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে। যমুনামুখ জেলার দুই গ্রামের প্রায় পাঁচশ’ পরিবার রেললাইনে আশ্রয় নিয়েছে। ওই অঞ্চলে সেটাই একমাত্র স্থান যা বন্যার পানিতে তলিয়ে যায়নি। চাংজুরাই ও পটিয়া পাথর গ্রামের মানুষ বন্যায় তাদের প্রায় সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। ত্রিপলের তৈরি অস্থায়ী ঘরে আশ্রয় নেওয়া গ্রামবাসী দাবি করেছেন, তারা গত পাঁচ দিনে রাজ্য সরকার ও জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে খুব বেশি সাহায্য পাননি। পটিয়া পাথরের গ্রামের বাসিন্দা ৪৩ বছরের মনোয়ারা বেগম বন্যার পানিতে সব হারিয়ে পরিবার নিয়ে রেললাইনে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন বন্যায় সব হারানো আরও চারটি পরিবার। তারা সবাই একই ত্রিপলের নিচে অমানবিক অবস্থায় বসবাস করছে, কোনও খাবারও প্রায় নেই। মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘তিন দিন আমরা খোলা আকাশের নিচে ছিলাম, তারপর কিছু টাকা ঋণ নিয়ে এই ত্রিপল কিনলাম। আমরা পাঁচটি পরিবার এর নিচে বসবাস করছি, কোন গোপনীয়তা নেই।’ চাংজুরাই গ্রামে বন্যায় সব হারিয়ে বিউটি বরদোলুইয়ের পরিবারও ত্রিপলের শিটের নিচে বাস করছে। তিনি বলেন, ‘বন্যায় আমাদের পেকে যাওয়া ধান নষ্ট হয়েছে। এভাবে টিকে থাকা খুবই কঠিন বলে পরিস্থিতি অনিশ্চিত।’ বিউটি বরদোলুইয়ের আত্মীয় সুনন্দা দোলুই বলেন, ‘এখানে পরিস্থিতি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং, নিরাপদ পানীয় জলের কোন উৎস নেই, আমরা দিনে মাত্র একবার খাই। আমরা গত চার দিনে সামান্য কিছু চাল পেয়েছি।‘ পটিয়া পাথর গ্রামের আরেক বন্যা কবলিত নাসিবুর রহমান বলেন, ‘চার দিন পর গত শুক্রবার সরকারি সাহায্য পেয়েছি। তারা সামান্য কিছু চাল, ডাল ও তেল দিয়েছে। কিন্তু অনেকে তাও পাননি।‘ আসামের বন্যা পরিস্থিতি এখনও ভয়াবহ। রাজ্যের ২৯টি জেলার দুই হাজার ৫৮৫টি গ্রামের আট লাখের বেশি মানুষ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত হয়েছেন। বন্যা ও ভ‚মিধসে প্রায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com