বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১০:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
চিনি উধাও দাম চড়া টি-স্টলে বিপর্যয় সাতক্ষীরায় টমেটো চাষে সফলতা উৎপাদিত টমেটো যাচ্ছে রাজধানী সহ অন্য এলাকায় বাংলাদেশের কৃষিপণ্য নিয়ে সরাসরি মধ্যপ্রাচ্য যাবে জাহাজ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই এত উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে -প্রধানমন্ত্রী মধ্যস্থতা ন্যায় বিচার নতুন দ্যোতনা \ কবি শেখ মফিজুর রহমান সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, শরীয়তপুর ইসিপিএল প্রিমিয়ার ক্রিকেট সেতু বন্ধন ক্লাব জয়ী প্রধান মন্ত্রীর গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় সাবেক সংসদ হাবিবের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দিলেন সাবেক মন্ত্রী আমানউল­াহ আমান তাপমাত্রা বেড়ে আবার কমতে পারে খুলনায় আঞ্চলিক শীতকালীন গোলাপ অঞ্চলের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন যাতায়াত যোগাযোগ ব্যবস্থায় বাংলাদেশ এবং বিশ্ব বাস্তবতা

কালিগঞ্জে সজিনা ফুলে ভরে গেছে গাছ

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় রবিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

কালিগঞ্জ (সদর) প্রতিনিধি ঃ বসন্তের শুরুতে ফুলে ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছ। থোকায় থোকায় ঝুলছে ফুল। ফুলের পরিমাণ এতোটাই যে গাছের পাতা পর্যন্ত দেখার উপায় নেই। ফুলের গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে মৌমাছির দল মধু সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাস্তার পাশে সজিনার সাদা ফুল পথচারীদের আকৃষ্ট করছে। রোগ বালাই কম হওয়ায় এখন বাণিজ্যিকভাবেও চাষ করা হচ্ছে সজিনা। তাই সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে জেলায় বাইরেও সরবরাহের চিন্তা করছেন চাষীরা। এক সময় বাড়ীর আশপাশের উঠানে সজিনা গাছ লাগানো হতো। সময়ের পরিক্রমায় সজিনার চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা এখন ফসলি জমিতে সজিনার চাষ করছেন। পরিকল্পিতভাবে সজিনার চাষ করে লাভবানও হচ্ছেন তারা। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয় এই সজিনা। মৌসুমের শুরুতে সজিনা প্রতি কেজি ১০০/১৫০ টাকা দরে বিক্রি হলেও শেষ সময়ে দাম কমে প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হয়। ফাল্গুনের শেষ ও চৈত্রের শুরুতে সজিনার ডাটা খাওয়ার জন্য উপযোগী হয়। সাধারণত শাখা কেটে রোপণ করার মাধ্যমে এর বংশ বিস্তার হয়। এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে গাছ থেকে সজিনা সংগ্রহ করা যায়। ডাটার পাশাপাশি ফুল, পাতাও সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। সবজি হিসেবে এটি যেমন উপাদেয়, তেমনি এর ভেষজ গুণাবলী অসাধারণ। নানা রোগব্যাধি নিরাময়, রোগ প্রতিরোধ ও শক্তি বৃদ্ধিতে সজিনা অত্যন্ত কার্যকর। কালিগঞ্জ উপজেলার পানিয়া গ্রামের অহিদুল ইসলাম সরদার বলেন, জমির পাশে রাস্তার ধারে কয়েকটি সজিনা গাছ লাগিয়েছি। বাড়ীতে খাবার পর অতিরিক্ত সজিনা বাজারে বিক্রি করবো। রোগ বালাই কম। খরচ তেমন না হলেও দাম ভাল পাওয়া যায়। প্রতিটি গাছে প্রায় এক থেকে দেড় মণ সজিনা হয়। উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের হোগলা গ্রামের আলমগীর হোসেন বলেন, সজিনা এখন জমির আইলে ও আবাদি জমিতে বাণিজ্যিক ভাবে লাগানো হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com