রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০৫:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদের আয়োজনে অনুদানের চেক ও দুঃস্থ, অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন সাতক্ষীরায় ঈদের জামাত কোথায় কখন অনুষ্ঠিত হবে ঈদুল আযহা : রাত পোহালেই ঈদ ঃ শেষ মুহুর্তের চেষ্টা পছন্দের গরু ছাগল সংগ্রহের ঃ গ্রামে গ্রামে হাটে বাজারে ও চলছে গরু ছাগল কেনা বেচা কালিগঞ্জের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জাঁকজমকপূর্ণ বিদায় সংবর্ধনা শ্যামনগর আটুলিয়া সংসদ উপজেলা চেয়ারম্যানের সংবর্ধনা প্রদান সাতক্ষীরায় ঈদে সড়কে শৃংখলা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান কৈখালীতে ঘুর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কালিগঞ্জের তেঁতুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জাঁকজমকপূর্ণ বিদায় সংবর্ধনা প্রদান মানব কল্যাণে কাজ করছে প্রজ্ঞা ফাউন্ডেশনঃ নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আনন্দ মোহন বিশ্বাস

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে জাতীয় ফুল শাপলা ও ‘ঢ্যাপ’

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২২

এম এম নুর আলম \ এক সময় গ্রাম বাংলার খাল বিলে প্রচুর শাপলা ফুল দেখা যেত। লাল কিংবা সাদা শাপলা ফুল দেখে মুগ্ধ হন না, এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন। কিন্তু কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে শাপলা ফুল। আর তার সাথে সাথে বিপন্নের পথে জলাভূমির ফল ‘ঢ্যাপ’। শাপলার ফলকেই ‘ঢ্যাপ’ বলা হয়। কিছু কিছু আঞ্চলিক নামে ‘ভেট’ বলা হয়। এক সময় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর একটা বিরাট অংশ শাপলা ফুলের ডাঁটা তরকারি হিসেবে খেতেন। শুধু তাই নয়, এই ‘ঢ্যাপ’ আমাশয়, বদহজম এবং রক্ত আমাশয় নিরাময়ের জন্য বেশ কার্যকরী বলেও প্রচলিত রয়েছে গ্রামে। কিন্তু ‘শাপলা ফল’ বা ‘ঢ্যাপ’ প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে এখন। মাঝে-মধ্যে গ্রামাঞ্চলের বাজারগুলোতে ‘ঢ্যাপ’ বিক্রি করতে দেখা যায়। গ্রাম বাংলায় এক সময় অসংখ্য খাল-বিল ছিল। যেখানে এসব ফুল পাওয়া যেতো বেশি। এসব খাল-বিলে প্রচুর পরিমাণে শাপলা ফুল ফুটত। এতে পাওয়া যেত প্রচুর পরিমাণে ঢ্যাপ। কিন্তু আস্তে আস্তে ভরাট হয়ে যাচ্ছে বিল। তার সাথে সাথেও হারিয়ে যাচ্ছে শাপলা ফুল ও ঢ্যাপ। শাপলার ফল বা ঢ্যাপ দিয়ে চমৎকার সুস্বাদু খই ভাজা হয়। যেটি গ্রাম-গঞ্জের মানুষের কাছে ‘ঢ্যাপের খই’ নামে পরিচিত। এই ঢ্যাপের মধ্যে অসংখ্য বীজদানা থাকে। এসব বীজদানা রোদে শুকিয়ে চাল তৈরি করা হয়। ঢ্যাপের পুষ্টিকর চাল থেকে তৈরি করা খই ও নাড়– অত্যন্ত সুস্বাদু। খাল-বিল ও জমিতে অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক জলাভূমিগুলো ধ্বংস হওয়ায় এ সুস্বাদু ঢ্যাপ বিলুপ্তি হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। কৃষক জাকির হোসেন বলেন, যখন অভাব দেখা দিত তখন আমরা শাপলার ভেট দিয়ে ভাত ও খই বানিয়ে খেতাম। কিন্তু এখন তো এইগুলো দেখাই যায় না।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com