বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতক্ষীরার ঘরে ঘরে চোখ ওঠা রোগের প্রাদুর্ভাব \ আতঙ্ক নয় \ সাবধানতা ও সতর্কতা জরুরী দূর্গা উৎসব বাঙ্গালীর সার্বজনীন উৎসবে পরিনত হয়েছে -খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দীন ইভিএমে আঙুলের ছাপ না মিললে ভোটদানের বিষয়ে আইনে সংশোধনী আসছে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির নিয়মিত মাসিক সভা ভার্চুয়ালী অনুষ্ঠিত ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী অষ্টমীতে সাতক্ষীরার মন্ডপে মন্ডপে উপচে পড়া ভিড় \ আজ মহানবমী সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে অস্ত্র সহ আটক ১ সকল ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণ ভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করছে -আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেবহাটায় উৎসবমূখর পরিবেশে চলছে দূর্গোৎসব

খুলনায় সাবেক স্ত্রীকে হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদন্ড

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০২২

এফএনএস: খুলনার ডুমুরিয়ায় সাবেক স্ত্রীকে হত্যার দায়ে লিটন মোল­া নামে (৩৭) এক যুবকের মৃত্যুদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। সাত কার্য দিবসে শেষ হলো মামলাটির বিচার কার্যক্রম শেষে হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এম ইলিয়াস খান ও শাম্মি আক্তার। আদালতের সূত্র জানায়, নিহত পারভীন বেগম লিটন মোল­ার দ্বিতীয় স্ত্রী। হত্যাকান্ডের পাঁচ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় পারভীন আগের ঘরে আট বছরের একটি কন্যাসন্তান নিয়ে লিটনের ঘরে আসেন। বিয়ের পর কিছুদিন সংসার ভালোভাবে চললেও পরে তাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। এ নিয়ে প্রায়ই উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন লিটন মোল­া। হত্যাকান্ডের এক সপ্তাহ আগে পারভীন স্বামীকে তালাক দেন। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হন লিটন। পারভীনকে হত্যার পরিকল্পনা করতে থাকেন তিনি। ২০২১ সালের ১৫ জুন পারভীনকে হত্যার জন্য বাড়ি থেকে শাবল ও ধারালো ছুরি নেন লিটন। দিবাগত রাত ১টার দিকে ডুমুরিয়া মহিলা কলেজের পাশে শামসুর রহমানের ভাড়া বাড়িতে এসে পারভীনকে ডাকতে থাকে। সাড়া দিয়ে তিনি আবার ঘুমিয়ে থাকেন। একপর্যায়ে শাবল দিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ফেলেন লিটন। তাকে অস্বাভাবিক দেখতে পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন পারভীন। হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে পারভীনের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কোপাতে থাকেন। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য পাশের রান্না ঘর থেকে কাঠ এনে মাথায় আঘাত করেতে থাকেন। মায়ের চিৎকার শুনে পারভীনের আট বছর বয়সী মেয়ের ঘুম ভেঙে যায়। তার চিৎকার শুনে আশপাশের বাসার লোকজন এগিয়ে এসে পারভীনকে জখম অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের বড় মেয়ে লিটনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। একই বছরের ৩০ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লিটনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ১৮ জন আদলতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাত কার্য দিবসে মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com