মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আজ পবিত্র শবে বরাত স্বাধীন বিচার বিভাগ ও শক্তিশালী সংসদ দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে পারে: প্রধানমন্ত্রী আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ৭৬তম আজিজিয়া ইছালে সওয়াব মাহফিল কুল্যায় উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাকিমের নির্বাচনী সভা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সকল ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে -সেখ সালাহউদ্দিন রামভদ্রপুর মোকসেদ আলী মন্ডল হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায়, তাফসীরুল কুরআন মাহফিল ভাদিয়ালী হাইস্কুলের পক্ষ থেকে এমপি ফিরোজ আহমেদ স্বপনকে সংবর্ধনা উপানুষ্ঠানিক ব্যুরোর সহকারী পরিচালকের দায়িত্ব পেলেন সাতক্ষীরা জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু হেনা মোস্তফা কামাল প্রতি মুহুর্তে মৃত্যুর মুখে ফিলিস্তিনিরা প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট ২০২৩-২৪ এর খেলায় সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ৩৭ রানে জয়ী

টিকার অভাবে শিক্ষাবঞ্চিত হচ্ছে শিশুরা -ইউনিসেফ

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০২২

এফএনএস বিদেশ : করোনার প্রকোপ কমে আসায় স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে বেশির ভাগ দেশ। বয়স্কদের পাশাপাশি জোর দেয়া হচ্ছে শিশুদের টিকা নিশ্চিতে। এর ফলে বিশ্বের নানা প্রান্তে খুলে দেয়া হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে ইউনিসেফ বলছে, প্রায় ৩ বছরের ঘাটতি পুষিয়ে ওঠা খুব সহজ হবে না। প্রতিবেদন বলছে, বিশ্বের ২৩টি দেশের ৪০ কোটি ৫০ লাখ শিশু এখনো টিকা না পাওয়ায় ব্যহত হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা। করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সাল থেকে বিশ্বের ১৪ কোটি ৭০ লাখ শিশু স্কুলে গিয়ে পড়াশুনার সুযোগ থেকে বঞ্ছিত হয়েছে। দুই বছর পর এখনো স্কুলে ফিরতে পারেনি ২৩ দেশের ৪০ কোটি ৫০ লাখ শিশু, এমনটাই জানিয়েছে শিশুরা স্কুলে যেতে না পারায় শংকা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। করোনার বিধিনিষেধ বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে শিথিল করে স্কুল কলেজ খুলে দেয়া হলেও অনেক দেশেই টিকার অভাবে শিক্ষা বঞ্চিত হচ্ছে শিশুরা। বিশেষ করে ফিলিপাইন্স, হন্ডুরাস, সলোমন আইল্যান্ড এবং ভানুয়াতুর ৭০ শতাংশ প্রাইমারি এবং মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ আছে শুধুমাত্র টিকার অভাবে। উগান্ডায় প্রায় দুই বছর ধরে স্কুলগুলো বন্ধ থাকার পর ২০২২ সালের জানুয়ারিতে স্কুল পুনরায় খোলার পর স্কুলগামী শিশুদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজন স্কুলে ফেরেনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন আফ্রিকা-এশিয়ার বেশিরভাগ দেশে স্কুুল না খুললেও খুলে দেয়া হয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাই দারিদ্র সীমার নিচে বসবাসকারী পরিবারগুলো শিশুদের স্কুলে না পাঠিয়ে জীবিকা নির্বাহের জন্য কাজে পাঠাচ্ছেন। এছাড়াও প্রতিবেদনে দেখা যায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে সেসব শিশু, যাদের শিক্ষা জীবন এখনো শুরুই হয়নি। এসব শিশুদের শিক্ষার ঘাটতি পূরণে ৭ বছরের বেশি সময় লেগে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com