সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
পাখি মানব সমাজের ঘনিষ্ঠ \ প্রকৃতি প্রেমী \ দেশে আসছে অতিথি পাখি \ পাখি নিধন বন্ধ হোক \ ব্যাঙ, কুচে হারিয়ে যাচ্ছে সকল ধর্মের মূল কথা মানবসেবা মানবাধিকার পরিস্থিতির উপর জেলা পর্যায়ের ডায়ালগ সভায় -জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মোঃ মনিরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন প্রস্তুতি সভা কানাডাকে উড়িয়ে শীর্ষে ক্রোয়েশিয়া বেলজিয়ামকে স্তব্ধ করে মরক্কোর দুর্দান্ত জয় যুব সমাজকে মাদক ও জঙ্গীবাদ থেকে দূরে রাখতে হবে -পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান ব্যাংকিং খাতের সবশেষ অবস্থা জানতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আইনজীবী সহকারীরা বিচারঙ্গনের প্রাণ ঃ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ কবি শেখ মফিজুর রহমান কোস্টারিকার সঙ্গে পারলো না জাপান রেকর্ড গড়েই আর্জেন্টিনাকে জয় এনে দিলো মেসি

প্রয়োজনে আইন সংস্কারের প্রস্তাব করতে পারে ইসি -টিআইবি

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০২২

এফএনএস: নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দায়িত্ব সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করা। এজন্য প্রয়োজনে সরকারের কাছে আইন সংস্কারের প্রস্তাব করতে পারে ইসি। কারণ কোনো আইন পাথরে খোদাই করে লেখা নয়। গতকাল সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, নাগরিক সমাজের সঙ্গে কমিশনের যে বৈঠক হয়েছিলো তার ফলোআপ হিসেবে ইসির সঙ্গে বৈঠক করেছি। আমরা চাই, আপনারা চান, দেশবাসী চায়, আসন্ন নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হয়। এসব বিষয়ে আমরা কতগুলো প্রস্তাব করেছি। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার, তার চরিত্র কী রকম হবে, গঠন কেমন হবে, এই ধরনের বিষয় নিয়ে আমরা কোনো সুনির্দিষ্ট কথা নির্বাচন কমিশনকে দেইনি। বিষয়টি দেশবাসীরই একটা প্রত্যাশা, উদ্বেগের জায়গা। কাজেই সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নির্বাচন কমিশন যেভাবে মনে করে, তাদের চিন্তাভাবনা প্রসূত পরামর্শ সরকারকে বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দিতে পারে। প্রয়োজনে আইনি সংস্কারের জন্য প্রস্তাব করতে পারে। কোনো আইন পাথরে খোদাই করে লেখা নয় উলে­খ করে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সংবিধান পাথরে খোদাই করে লেখা নয়। সংবিধান এবং আইন এখন পর্যন্ত যে অবস্থায় দাঁড়িয়ে, সেটা কিন্তু পরিবর্তনের মাধ্যমেই হয়েছে। কাজেই এই বাস্তবতাটাকে মেনে যদি কমিশন মনে করে, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের স্বার্থে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইনি সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে, তাহলে তারা সেই প্রস্তাব করতে পারে। কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করবে কি না সেটা পরের বিষয়। তিনি আরও বলেন, আমরা প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের কাছে প্রস্তাব করেছি, এখন যে নিয়ম আছে সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করতে পারেন। এই বিষয়টি তারা বিবেচনা করে দেখতে পারেন। কারণ এখানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট হয় বলেই অনেকের ধারণা এবং সেটাই বাস্তবসম্মত। নির্বাচনের সময় তথ্য প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা যেন সৃষ্টি না হয় তার দাবিও জানান টিআইবির নির্বাহী পরিচালক। তিনি বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের অবাধে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও গণমাধ্যমকে তথ্য সংগ্রহ এবং প্রকাশের সুযোগ দিতে হবে। নির্বাচনের সময়ে ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ করার চর্চাটা এর আগে হয়েছিল সেটা থেকে যেন বিরত থাকা হয়, কেন্দ্রভিত্তিক তথ্য যেন অনতিবিলম্বে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়, এগুলো আমরা প্রস্তাব করেছি। ইভিএমের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে উলে­খ করে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমরা মনে করি, এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করে পরামর্শ নেওয়া এবং নিশ্চিত করা যাতে কারিগরি কোনো ফল্ট না থাকে ইভিএমে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com