বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতক্ষীরার ঘরে ঘরে চোখ ওঠা রোগের প্রাদুর্ভাব \ আতঙ্ক নয় \ সাবধানতা ও সতর্কতা জরুরী দূর্গা উৎসব বাঙ্গালীর সার্বজনীন উৎসবে পরিনত হয়েছে -খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দীন ইভিএমে আঙুলের ছাপ না মিললে ভোটদানের বিষয়ে আইনে সংশোধনী আসছে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির নিয়মিত মাসিক সভা ভার্চুয়ালী অনুষ্ঠিত ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী অষ্টমীতে সাতক্ষীরার মন্ডপে মন্ডপে উপচে পড়া ভিড় \ আজ মহানবমী সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে অস্ত্র সহ আটক ১ সকল ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণ ভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করছে -আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেবহাটায় উৎসবমূখর পরিবেশে চলছে দূর্গোৎসব

ভারতে মিললো রহস্যময় পাথরের পাত্রের কবর

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০২২

এফএনএস বিদেশ : ভারতে বিশালাকার রহস্যময় পাথরের পাত্র আবিষ্কার করেছেন গবেষকরা। ধারণা করা হচ্ছে, প্রাচীন মানব কবরের জন্য জারগুলো ব্যবহৃত হতো। বিবিসি’র অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য আসামের চারটি জায়গায় ৬৫টি বেলেপাথরের বয়াম বা জার ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। এর আগে লাওস ও ইন্দোনেশিয়ায় একই ধরনের পাথরের পাত্র পাওয়া গেছে। তবে জারগুলোর আকার-আকৃতি একই রকম নয়। কিছু বয়াম লম্বা এবং নলাকার, অন্যগুলো আংশিক বা সম্পূর্ণ মাটিতে পুঁতে রাখা। চলতি সপ্তাহে জার্নাল অফ এশিয়ান আর্কিওলজি জার্নালে আবিষ্কারের বিশদ বিবরণ প্রকাশিত হয়েছে। ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ার তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকগণ এই গবেষণা কাজে জড়িত। গবেষণাটির নেতৃত্বে ছিলেন নর্থ-ইস্টার্ন হিল ইউনিভার্সিটির তিলোক ঠাকুরিয়া এবং গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তম বাথারি। গবেষণা দলের সদস্য অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একজন গবেষক নিকোলাস স্কোপাল বলেন, আমরা এখনও জানি না যে, কে বা কারা এই বিশালাকার জার তৈরি করেছে বা তারা কোথায় ছিল। তবে এটি একটি রহস্যের বিষয়। যদিও দৈত্যাকার জারগুলি কীসের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল তা এখনও স্পষ্ট নয়, গবেষকরা বিশ্বাস করেন পাথরের জারগুলোতে সম্ভবত মৃতদেহের অন্ত্যোষ্টিক্রিয়ার সাথে যুক্ত। স্কোপাল বলেন, নাগা (উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি জাতিগোষ্ঠী)স¤প্রদায়ের কাছে গল্প প্রচলিত রয়েছে, বয়ামগুলিতে দাহ করার পর দেহাবশেষের ছাঁই, পুঁতি এবং অন্যান্য বস্তুগত নিদর্শনগুলি খুঁজে পাওয়ার যেত। ডাঃ ঠাকুরিয়া বিবিসিকে জানান, বর্তমানে বয়ামগুলি খালি এবং সেগুলি সম্ভবত ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। ‘এই প্রকল্পের পরবর্তী ধাপ হল এই জারগুলিকে খনন করে বের করা এবং ব্যাপকভাবে তালিকাভুক্ত করা।’ অতীতে আসাম এবং প্রতিবেশী মেঘালয় রাজ্যে একই রকম পাথরের জার আবিষ্কৃত হয়েছিল বলে গবেষকরা জানান। আসামের ১০টি ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় এ পর্যন্ত ৭০০ টিরও বেশি জার পাওয়া গেছে। গবেষকরা বিশ্বাস করে যে এই বয়ামগুলি প্রায় ৪০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের। গবেষকরা বলেন, আসামের একটি খুব সীমিত এলাকা অনুসন্ধান চালানো হয়েছে এবং এখানে আরও অনেক পাথরের জার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা এখনও জানি না তারা কোথায়! স্কোপাল বলেন, আমরা তাদের খুঁজে পেতে যত বেশি সময় নেব, তাদের ধ্বংস হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি, কারণ এই অঞ্চলে আরও ফসল লাগানো হয় এবং বন কেটে ফেলা হয়। ২০১৬ সালে আবিষ্কৃত লাওসের জারগুলি কমপক্ষে ২ হাজার বছর আগে ঝিয়েং খোয়াং প্রদেশে স্থাপন করা হয়েছিল বলে বিশ্বাস করা হতো। গবেষকরা তখন তিনটি ভিন্ন ধরণের সমাধি আবিষ্কার করেছিলেন। উপরে একটি বড় চুনাপাথরের খন্ড সহ গর্তে রাখা হাড়, সিরামিকের পাত্রে কবর দেওয়া হাড় এবং একটি কবরে একটি দেহ খুঁজে পেয়েছিলেন। আসাম এবং লাওসে পাওয়া জারগুলির আকার এবং গঠন খুব একই রকম। যদিও আকৃতি এবং আকারে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। আসামেরগুলি বেশি গোলাকার যেখানে লাওসেগুলি আরও নলাকার।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com