সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
হারিয়ে যাচ্ছে ডাক বিভাগের ঐতিহ্য \ দেখা নেই চিঠি হাতে ডাক পিয়নের চিঠির পরিবর্তে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার \ কুরিয়ার সার্ভিস গুলোর সেবার মান নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই মিরাজের দৃঢ়তায় বুক কাঁপিয়ে জয় টাইগারদের বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের অধিনায়ক সাফ জয়ী সাবিনা খাতুন ও ডিফেন্ডার মাসুরা পারভীনকে সংবর্ধনা প্রদান দেশ বাঁচাতে নৌকায় ভোট দিন \ চট্টগ্রামের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বীর নিবাস পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির সাতক্ষীরায় বকচরা এলজিইডির কাপেটিং রাস্তায় কাজের উদ্বোধন এমবাপে-জিরুদের গোলে শেষ আটে ফ্রান্স সাতক্ষীরায় কমিউনিটি ক্লিনিকে রোগী দেখলেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ফারহাদ জামিল সশস্ত্র বাহিনীর জন্য আধুনিক ও সময়োপযোগী যুদ্ধাস্ত্র সংগ্রহ করছে সরকার -প্রধানমন্ত্রী কলারোয়ায় সরিষা ফুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত ফসলের মাঠ

সন্তান বেশি নেওয়ায় ১ হাজার সরকারি কর্মীকে শোকজ

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় সোমবার, ৪ এপ্রিল, ২০২২

এফএনএস বিদেশ : ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভোপালে দুটির বেশি সন্তান থাকা বা তৃতীয় সন্তান নেওয়ায় শিক্ষকসহ প্রায় এক হাজার সরকারি কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআইকে এ তথ্য জানিয়েছেন ভোপাল জেলার বিদিশা শহরের শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিইও) এ কে মোদগিল। তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। অনেকে এখন বলছেন যে তাদের নিয়োগপত্রে এই নিয়মের কথা উলে­খ করা ছিল না বা ইচ্ছাকৃতভাবে সন্তান নেননি। এমনকি তৃতীয় সন্তান নেওয়ার কথা অস্বীকারও করছেন কেউ কেউ।’এ কে মোদগিল জানান, ২০০০ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকারের এক নির্দেশনায় বলা হয়, ২০০১ সালের ২৬ জানুয়ারির পর কোনো সরকারি কর্মচারী যদি দুটির বেশি সন্তান নেন তাহলে তাদের চাকরি থাকবে না। তবে প্রশাসন এ নিয়মের কথা কর্মচারীদের জানায়নি বলে দাবি শিক্ষা বিভাগের এই কর্মকর্তার। স¤প্রতি মধ্যপ্রদেশের এক বিধায়ক বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০০ সালে রাজ্য সরকারের ওই আইন অনুযায়ী এখন পর্যন্ত কতজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বিধানসভায় তা জানতে চেয়েছিলেন তিনি। এর পরপরই শিক্ষকসহ প্রায় এক হাজার সরকারি কর্মীকে তৃতীয় সন্তান নেওয়ার জন্য শোকজ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মোহন সিং কুশওয়াহা নামে একজন শিক্ষক এএনআইকে বলেন, ‘আমাদের কাছে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আমরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি যে আমাদের নিয়োগপত্রে এ ধরনের কোনো নির্দেশনার (সন্তান নেওয়ার) কথা উলে­খ ছিল না। যাদের নিয়োগপত্রে ওই শর্ত দেওয়া রয়েছে সরকারের উচিত কেবল তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com