দেবহাটা অফিস \ বৃক্ষের সাথে শত্র“তার খবর কোন কোন সময় পাওয়া গেলেও কবরস্থানের বৃক্ষের সাথে শত্র“তার দেখা দিলো দেবহাটার মাঝ পারুলিয়া কবরস্থানে। অনন্তকালের বাসিন্দা চির নিদ্রায় শায়িত আছে কবরস্থাে। ফুল, ফল বৃকে্ঃষর রোপনের মাধ্যমে কবরস্থানের সৌন্দর্য বৃদ্ধির চেষ্টা করেন স্বচ্ছ ও আন্তরিক মনের কেউ কেউ। মাঝ পারুলিয়া পূর্ববাড়ী কবরস্থানে একই এলাকার মোহরব হোসেন মোল্যা স¤প্রতি স্বেচ্ছায়, বিনাস্বার্থে, বিনামূল্যে বার তেরটি আম বৃক্ষ রোপন করেন গত এক দুই মাসের ব্যবধানে আম গাছ গুলো বৃদ্ধি পেতে থাকে। শীত শেষে নতুন পাতা গজাতে থাকে। এরই মধ্যে রাতের অন্ধকরে কবরস্থানের মধ্যে প্রবেশ পরবর্তী একে একে দশ/এগারটি গাছ কেটে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। পৈশাচিক, বর্বর এই ঘটনায় এলাকাবাসি কেবল উদ্বিগ্ন নয় ক্ষোভের আগুন জ্বলছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরেও এসেছে। চলছে তদন্ত। কতটুকু অমানবিক হিংস্র হলে গোরস্থানের অভ্যন্তরে প্রবেঃশ করে গাছ কাটতে পারে। আম বৃক্ষ রোপনকারী সোহরব হোসেন বলেন কবরস্থানের গাছ কর্তনের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি ইতিমধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পথেই হাটছেন। গোরস্থানের গাছ রাতের অন্ধকারে কাটার সাথে জড়িত বা এই অনৈতিক কাজের সাথে জড়িতদের অবিলম্বে চিহ্নিত করতে সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে। দেশের প্রচলিত আইন বিরোধ, মানবতা বিরোধী কবরবাসীদের মাঝে থাকা বৃক্ষ নিধনকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছেন এলাকাবাসি।