কালিগঞ্জ প্রতিনিধি \ কালিগঞ্জ উপজেলা রতনপুর ইউনিয়নের সাতহালিয়া গ্রামে অবস্থিত তেলিখালী মৌজায় আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে মৎস্যঘের জবরদখলের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সালমা বেগম ও তার শরিকরা। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তেলিখালী মৌজার সি.এস ১৪২ নং খতিয়ানের এস.এ ৫২৭ নং খতিয়ানে, বি.আর.এস ৭৮৯, ৭২৫, ৭৯৬ ও ১৪৮০ নং খতিয়ানের এস.এ ৬৪৭ দাগে বি.আর.এস ১৩৬৫ দাগের ৬ একর জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। এই জমির মালিকানা দাবি করে সালমা বেগম বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পি ১৭৭৯/২৪ নং মামলা দায়ের করেছেন। তিনি জানান, ক্রয়সূত্রে তারা জমির বৈধ মালিক এবং শান্তিপূর্ণভাবে মৎস্য ঘের করে দখলে আছে। বেশ কিছু দিন পূর্বে সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ—এর নেতৃত্বে ভাড়াটিয়া গুন্ডা বাহিনী দিয়ে আমাদের মৎস্য ঘের দখল করে নেওয়ার চেষ্ঠা করলে বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করি। পুলিশ মৎস্য ঘেরে আসলে তারা পালিয়ে যায়। তবে তিনি আশঙ্কা করছেন, প্রতিপক্ষরা যে কোন মুহূর্তে মৎস্য ঘেরটি জোরপূর্বক দখল নিতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পারে। অপরদিকে, এ বিষয়ে প্রতিপক্ষ আব্দুল ওহাবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জমির মূল মালিকের কাছ থেকে ২১ বিঘা জমি কিনে দখলে ছিলেন। কিন্তু স¤প্রতি কিছু অজ্ঞাত শক্তি তার জমি জবরদখল করে মাছ চাষের চেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে রতনপুর ইউনিয়ন (ভূমি) সহকারী কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম বলেন, সংশ্লিষ্ট তেলিখালী মৌজার বি.আর.এস ৩১৬৫ দাগের ৬.৩০০০ একর জমি নিয়ে বাদী, বিবাদী ও তৃতীয় পক্ষের মধ্যে একাধিক দেওয়ানি ও আপিল মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ফলে দখল সংক্রান্ত বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো মতামত দেওয়া সম্ভব হয়নি। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে যেকোনো সময় এলাকায় বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। দখলীয় জমির মালিক গৃহবধু সালমা বেগম, গোলাম রব্বানী, আকছেদুর রহমান ও আলমগীর হোসেনসহ স্থানীয়রা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।