সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অসংক্রামক ব্যাধির বিস্তারে বাড়ছে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ও গণভোট নয়, শুধু সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে ইইউ মিশন মিয়ানমার সীমান্তের গোলাগুলিতে টেকনাফে শিশু নিহত, আরেক শিশু গুলিবিদ্ধ সিলেট থেকেই শুরু হচ্ছে তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচারণা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সমস্যা দেখছি না ইইউ পর্যবেক্ষক দলকে প্রধান উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের বৈঠক মোছাব্বির হত্যা ব্যবসাকেন্দ্রীক হতে পারে: ডিবি জামায়াত আমিরের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারির সাক্ষাৎ নির্বাচনের পর মার্চের শেষে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিনে বৈধতা পেলেন ৫৮ প্রার্থী, নামঞ্জুর ৭

কোরবানীর পছন্দের পশু সংগ্রহে শেষ মুহুর্তের ব্যস্ততা

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৬ জুন, ২০২৩

দৃষ্টিপাত রিপোর্ট \ আর মাত্র দুই দিন তারপর বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আযহা। শেষ মুহুর্তে পছন্দের গরু ছাগল সংগ্রহে ব্যস্ত সময় অতিক্রম করছে পশু কোরবানী দিতে আগ্রহীরা। সাতক্ষীরার হাট বাজার গুলোতে অন্তত পক্ষকাল ব্যাপী চলছে গরু ছাগলের ক্রয় বিক্রয়। হাটগুলোতে পর্যাপ্ত পশুর উপস্থিতি থাকলেও অপেক্ষাকৃত ক্রেতার সংখা কম। সাধ আর সাধ্যের ব্যবধানের বেড়াজালে ক্রেতা বিক্রেতারা। জেলার হাটগুলোতে কাঙ্খিত বেচাকেনা না হলেও গ্রামে গ্রামে চলছে গরু ছাগল ক্রয় বিক্রয়ের উৎসব যা রিতিমত মহাউৎসব হিসেবেই পরিগনিত হচ্ছে। জেলার বিপুল সংখ্যক গ্রামই দৃশ্যতঃ গরু ছাগল পালনের ক্ষেত্র পাশাপাশি খামার তো আছেই। সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলার গ্রাম গুলো সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে দিন আনা দিন খাওয়া পরিবার ও একটি গরু পালন করেছে। এমনই এক পরিবার দেবহাটার পারুলিয়ার দ্বীন আলী, তিনি জানান ছয় মাস পূর্বে তিনি এই গরুটি আশি হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করে ছিলেন। ছয় মাসে খইল, ভূসি, খড়, ঘাস সহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য খাওয়াতে খরচ হয়েছে পঞ্চাশ হাজার টাকা, সেই হিসেবে গরুর ক্রয় মুল্য ও খাদ্যমুল্য মিলে দাঁড়ায় এক লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা, লালন পালন, পরিচর্যা খরচ বাদই দিলাম, স্বাস্থ্যবান, সশ্রী গরুটি অন্তত এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা কিন্তু এক লক্ষ দশ হাজারের উপরে দাম উঠছে না। গরু লালন পালন কারীদের আশা ছিল গরুর বাজার চড়া থাকবে কিন্তু বাস্তবতা হলো ভিন্ন, গরুর বাজার চড়া নয় যে কারনে গরু মালিকরা গরু বিক্রি করে আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে না। গ্রামের ঘরে ঘরে গরু আবার একই বাড়ীতে একাধিক গরু। একজন ক্রেতা এক গ্রামের যে কোন এক বাড়ীতে ঢুকলে পার্শ্ববতী বাড়ীর গরু দেখতে ভুল করছে না তেমনি ভাবে ক্রেতারা পুরোগ্রাম ঘুরছে। কেবলমাত্র গ্রামের বাড়ী বাড়ী নয় মেঠো পথ, গ্রামের ফাঁকা এলাকাতে কয়েকটি গরু এক সাথে রাখা হচ্ছে এবং ক্রেতারা হাটের ন্যায় গরু দেখছে, দরদাম করছে। ক্রেতাদের গ্রামমুখি হওয়া আবার বিক্রেতাদের হাটমুখি না হওয়ার ক্ষেত্রে তাদের জবানীতে জানা গেছে হাট থেকে গরু ক্রয় করে গরু রাখার জায়গা অভাব, আবার কোন কোন অতিরিক্ত খাজনা সহ নানান ধরনের ঝক্কি ঝামেলার কারনে গরু ছাগল ক্রয়ে গ্রাম মুখি হচ্ছে। বিপুল সংখ্যক গরু মালিক হাটে গরু নিতে বিশেষ ঝামেলা মনে করছেন তার মধ্যে দুরের বা নিকটবর্তী যে হাটেই গরু নিক না কেন গরু বহন গাড়ীতে নিতে অন্তত এক হাজার টাকা খরচ, আর গাড়ীতে না নিলে দড়ি ধরে হেঁটে হাটে গরু নিতে অন্ততঃ দুই থেকে তিনজন শ্রমিক মুজুরীর প্রয়োজন, তারপর হাটে দালাল বাটপারের ও প্রতারক চক্রের ভিতি সব মিলে নিজ বাড়ীতে বসেই গরু বিক্রি করার সিদ্ধান্ত, ইতিপুর্বে হাটগুলোতে দশটি গরু দেখে যে কোন এক, দুইটি পছন্দ করা হতো বর্তমান সময়ে গ্রাম গুলোতেও অগনিত গরু বিধায় পছন্দের ও দরদামের ক্ষেত্র ও বিস্তৃত। হাট এবং গ্রাম উভয় ক্ষেত্রে এবারের কোরবানীর পশু পছন্দের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি প্রধান্য পাচ্ছে তা হলো মাঝারী সাইজের গরু। একাধিক ক্রেতা সূত্রে জানাযায় একক ভাবে গরু ক্রয় অপেক্ষা কয়েকজন মিলে আবার সাত ভাগাভাগিতে গরু ক্রয়ের ঘটনা অধিক। প্রান্তীক জনগোষ্ঠীর বিশেষ আশা থাকে তাদের পালিত গরুটির কাঙ্খিত মূল্য পাবে কিন্তু এবারের ঈদ বাজারে পশুর জন্য নিন্মমুখি না হওয়ায় এবং বড় গরুর চাহিদা কম থাকায় হতাশ গরু লালন পালনকারী।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com