বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অসংক্রামক ব্যাধির বিস্তারে বাড়ছে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ও গণভোট নয়, শুধু সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে ইইউ মিশন মিয়ানমার সীমান্তের গোলাগুলিতে টেকনাফে শিশু নিহত, আরেক শিশু গুলিবিদ্ধ সিলেট থেকেই শুরু হচ্ছে তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচারণা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সমস্যা দেখছি না ইইউ পর্যবেক্ষক দলকে প্রধান উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের বৈঠক মোছাব্বির হত্যা ব্যবসাকেন্দ্রীক হতে পারে: ডিবি জামায়াত আমিরের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারির সাক্ষাৎ নির্বাচনের পর মার্চের শেষে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিনে বৈধতা পেলেন ৫৮ প্রার্থী, নামঞ্জুর ৭

খাস জমি দখলে কারাদন্ড-জরিমানার বিধান রেখে সংসদে বিল পাস

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

ঢাকা ব্যুরো \ হাট ও বাজারের সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখল বা কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রেখে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে। ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ‘হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) আইন, ২০২৩’ নামের ওই বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠ ভোটে পাস হয়। বৃহস্পতিবার (৯ ) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধী দলের সদস্যরা। তবে প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরপর সংশোধনী প্রস্তুাবগুলো নিষ্পত্তি করেন স্পিকার। গত ৮ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিলটি সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। পাস আইনে অর্থদণ্ড আরোপের ক্ষেত্রে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ফলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ অনুচ্ছেদের বাইরে গিয়ে তিনি অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারবেন। আর বিলের বিধান লঙ্ঘন করে কোনো ব্যক্তি হাট ও বাজারের সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখলে রাখলে বা খাস জমির ওপর কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনা সরকারের অনুক‚লে বাজেয়াপ্ত হবে। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হাট ও বাজার স্থাপন ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠাসহ গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরো গতিশীল করতে ১৯৫৯ সালে প্রণীত অধ্যাদেশ রহিত করে বাংলায় নতুন বিলটি আনা হয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং স্টেক হোল্ডারদের মতামত গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com