এফএনএস: পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় উপজেলা যুবদল সদস্য ও সারিয়াকান্দিতে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। এ সময় চার জন আহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— বগুড়ার দুপচাঁচিয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কোর্টপাড়ার মৃত ময়েজ উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে উপজেলা যুবদল সদস্য রফিকুল ইসলাম (৪৫) ও সারিয়াকান্দি উপজেলার হাটফুলবাড়ি ইউনিয়নের ছাগলধরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের স্ত্রী বকুল বানু (৮০)। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য রফিকুল ইসলাম ব্যবসার কাজে গত বৃহস্পতিবার বিকালে মোটরসাইকেলে পার্শ্ববর্তী জয়পুরহাটে যাচ্ছিলেন। এ সময় তার সঙ্গে সহযোগী দুপচাঁচিয়া পৌরসভার বোরাই তালুকদারপাড়ার শহীদ তালুকদারের ছেলে শাহনেওয়াজ তালুকদার সৈকত (৩২) ছিলেন। সন্ধ্যার দিকে জয়পুরহাট সদর উপজেলার হিমছি এলাকায় পেঁৗছলে একটি বাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে দুজন মোটরসাইকেল থেকে রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের দুজনকে উদ্ধার করে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক রফিকুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। তার সঙ্গী সৈকত চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দুপচাঁচিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আফসার আলী জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় তার সংগঠনের সদস্য রফিকুল ইসলাম মারা গেছেন। অপরদিকে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে সারিয়াকান্দি উপজেলার হাটফুলবাড়ি ইউনিয়নের ছাগলধরা গ্রামের বৃদ্ধা বকুল বানু, একই গ্রামের জনাব আলীর ছেলে শাহেদ আলী (৭৫), আছর প্রামাণিকের ছেলে আবুল কাশেম (৭৬) ও মৃত নাসির উদ্দিনের মেয়ে নার্গিস আক্তার (৩০) একটি অটোরিকশা ভ্যানে নিজ নিজ গন্তব্যে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে অটোরিকশা চৌকিবাড়ি গ্রামের সুখদহ নদীর উপর নির্মিত সেতুর উপর পেঁৗছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এতে অটোরিকশা নদীতে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই বৃদ্ধা বকুল বানু মারা যান। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহত শাহেদ আলী, আবুল কাশেম ও নার্গিস আক্তারকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এদের মধ্যে নার্গিস আক্তারের অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। শাহেদ আলী এখানে চিকিৎসাধীন ও আবুল কাশেম প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। সারিয়াকান্দি থানার ওসি জামিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনায় নিহত বৃদ্ধার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।