শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
কৈখালীতে শান্তি সংঘের আয়োজনে কবর খননকারীদের সম্মাননা প্রদান শ্যামনগরে দূরপাল্লার পরিবহন কাউন্টারে উপজেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা প্রতাপনগর ইউনিয়নের পাবলিকান শিক্ষার্থীদের ঈদ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত বেড়ীবাঁধ ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রান ও ঔষধ বিতরন নূরনগরে জামায়াতের যুব বিভাগের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত তালার নওয়াপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিদায়ী সংবর্ধনা আনুলিয়ায় উদারতার খাদ্য বিতরণ প্লাবিত আনুলিয়া এলাকা পরিদর্শণে বিভাগীয় কমিশনার ত্রাণ ও মেডিকেল সহায়তা প্রদান আশাশুনির প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর ত্রাণ ও মেডিকেল সহায়তা প্রদান কয়রায় মানব সম্পদ উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন প্রেক্ষিতে জাপান শীর্ষক মতবিনিময়

রমজান বিষয়ক ফতোয়া

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫

ফতোয়া : জুমার দিনে খুতবার সময় চুপ থাকা ওয়াজিব— জুমার দিন চুপ করে খুতবাহ শোনা ওয়াজিব। তখন কথা— বার্তা বলা হারাম। যদিও সে কথা সৎ কাজের আদেশ সম্পর্কিত হয়, ভাল কথা হয়। নবী করীম সাল¬ল¬হু আলাইহি ওয়াসাল¬ম বলেছেন : “জুমার দিন খুতবার সময় তুমি যদি তোমার ভাইকে বল ‘চুপকর’ তাহলে তুমিও বাজে কথা বললে।” এমনিভাবে খুতবার সময় অনর্থক কোন কাজ করা, মেঝে সমান করা, জায়নামায সোজা করা ইত্যাদি হারাম। যেমন হাদীসে এসেছে “যে মেঝের পাথর স্পর্শ করল সে বাজে কাজ করল।” তবে ইমাম সাহেব উপস্থিত লোকদের যে কাউকে কিছু বলতে পারেন। উপস্থিত মুসল্লীদের মধ্য থেকে কেহ প্রয়োজনে ইমাম সাহেবকে সম্বোধন করে কিছু বললে তা নাজায়েয হবে না। যদি কেহ আপনাকে ছালাম দেয় আপনি ইশারায় তার জওয়াব দিবেন। যদি ছোটদের চুপ করতে বলার প্রয়োজন হয় তা হলে মুখে কিছু না বলে তাদের ইশারায় বলবেন। আর খুতবার সময় কথা বলা নিষেধ এটা যদি কারো জানা না থাকে আর সে যদি কথা বলে তবে সে মাফ পেয়ে যাবে। কিন্তু মাছআলা জানা থাকা সত্বেও যদি কেহ ইচ্ছা করে কথা বলে তবে সে অপরাধী। তবে তাকে সালাত পুনরায় আদায় করতে বলা হবে না। আল্লা¬হ তাআলাই সর্বাধিক জ্ঞাত।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com