মীর আবু বকর \ নানান প্রজাতির আম, ভিন্ন রংয়ের ভিন্ন সৌরভের সৌন্দর্যমন্ডিত, সোভাসিত আম, থোকা থোকা আম, বাহারী সব আম, রুপে গন্ধে বিমোহীত আম, কোনটি পাকা, কোনটি আধাপাকা, যেন সুভাস আর অনন্য অসাধারনের মোহতায় মনোমুগ্ধর আলোকিত উৎসব, কি আম নেই, কোন আম নেই, জানা অজানা, প্রচলিত, নতুন জাতের উদ্ভাবনী সব ধরনের আমের সমারোহ, চকচকে ঠকঠকে সোনালী আর হলুদাভাব যেন বৈচিত্রের চাইতে বৈচিত্র, যে জাতের আমের সাথে পরিচিত নয় নতুন রা, আবার সব আমের জাত সম্পর্কে অবহিত নন প্রবীনরা, স্বুসাদু, রসনাতৃপ্ত, মন ভোলানো, চোখ জুড়ানো আম আর আম, সচারাচার দুষ্পাপ্য এবং বিরল প্রজাতির সম্মিলন আর তাই দলে দলে আসছেন দর্শনার্থীরা, হ্যাঁ আমের অবিরাম, চিরসুন্দর আর পরিচিতির ঘনঘটা নয়, প্রদর্শনী, আমের জমকালো মন কাড়া প্রদর্শনী আয়োজন করলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক। গতকাল কালেক্টর পার্ক চত্বরে অন্তত বত্রিশ প্রজাতির আমের প্রদর্শনী ছিল। দৃশ্যতঃ সাতক্ষীরার আমকে আরও অধিক পরিমান জনমানুষের কাছে পরিচিত করা, বিশ্বময় সাতক্ষীরার আমের সুবাস এবং পরিচিতি বৃদ্ধি করা, সাতক্ষীরার শিল্প আম শিল্প, অর্থনীতিকে কেবল গতিশীল আর সুখবরের সৗমাত্রায় নিয়েছে তা নয়, সাতক্ষীরার সংস্কৃতিকে ও সমৃদ্ধ করেছে। আম প্রদর্শনী আয়োজক সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোঃ হুমায়ুন কবির অবলিলায় বলেই চলছিলেন সাতক্ষীরার আমের ঐতিয্যের কথা, সাতক্ষীরায় এই প্রথম আম প্রদর্শনীতে আগতরা জেলা প্রশাসকের ব্যতিক্রমধর্মী প্রদর্শনীকে সাধুবাদ জানান, সাতক্ষীরা তথা সাতক্ষীরার আম অর্থনীতির পাশাপাশি জেলাকে বিশেষ উচ্চতায় নিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন জেলা প্রশাসক। কৃষি দপ্তরের সহযোগিতায় আম প্রদর্শনীতে সাতক্ষীরায় উৎপাদিত আমের বিভিন্ন জাতের যে আত্মপ্রকাশ ঘটেছে তা আগামী দিন গুলোতে নতুন প্রজন্ম আম সম্পর্কে অধিকতর জানতে পারবে। প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে গোবিন্দভোগ, হিম সাগর, ল্যাংড়া, গোলাপখাস, আ¤্রপালি, কালাপাহার, বেলখাস, চন্দ্র মলি−কা, ব্র“নাই কিং, রানী পছন্দ, কাঁচামিঠা, রেডপালমার, গোপালভোগ, গোলাপিধোপা, সীতাভোগ, সূর্যডিম, বোম্বাই, ফজলি, গৌড়মতি, মিছরিদানা, রেডপালসার, কিউজাই, হাড়িভাঙ্গা, চ্যাটা, কাটিমন, সূবর্ণরেখা, কিষানভোগ, থাইল্যাৎ পাইথন, বারি আম ১১। প্রদর্শনীতে আসা অতিথিদের স্বাগত জানান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মাইনুল ইসলাম মাঈন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমাতুজ-জাহরা, এনডিসি বাপ্পী দত্ত, কৃষি দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ সাইফুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক দপ্তরের ডিডি এস এম সফিউল আযম, কৃষি দপ্তরের সহকারী পরিচালক আমজাদ হোসেন, গনপূর্ত নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হায়াত মোহাম্মদ সফিউল আযম প্রমুখ।