শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নূরনগরে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ইসলামী প্রতিযোগিতা ও সংস্কৃতি অনুষ্ঠান শ্যামনগরে পানি সংরক্ষনের জন্য ড্রাম বিতরণ শ্যামনগরে সুপেয় পানির আরও প্লান্ট উদ্বোধন করলেন ইউএনও রনী খাতুন জলাভূমির অস্তিত্ব বিপন্ন হতে দেওয়া যাবে না কর্মশালায় অতিরিক্ত সচিব মোঃ আক্তারুজ্জামান শিবপুর ও কুশখালীর জলাবদ্ধতা এলাকা পরিদর্শনে সদর ইউএনও আশাশুনিতে তথ্য অধিকার বুথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে শাক—সবজী বীজ বিতরণ ও চাষী প্রশিক্ষন কয়রায় শিশুদের আনন্দদানে ও মেধা বিকাশে শিশু মেলা নতুন নির্বাচনী সামগ্রীতে এয়োদশ সংসদ নির্বাচন ## প্রয়োজনের অতিরিক্ত মালামাল কেনায় নিরুৎসাহিত এবং ব্যয় সংকোচনের পরামর্শ কমিশনের ## তিন লাখ ভোট কক্ষের জন্য ৭০ ধরণের সামগ্রী, সময় লাগবে ৬—৭ মাস ## দ্বাদশ সংসদের বেশির ভাগ মালামাল ব্যবহারে অনুপযোগী জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আর্থিক অনুদান প্রদান আজ

কলারোয়ায় ভাদ্রের তালপাকা শ্বাসরদ্ধকর গরমে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২২

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি \ সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ভাদ্রের তালপাকা শ্বাসরদ্ধকর গরমে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। এই দুঃসহ গরমের মধ্যে বিদ্যুতের ভেল্কিবাজিতে বৃদ্ধ, শিশু, রোগা মানুষগুলোর জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ছে। আদিকাল থেকে মানুষ ভাদ্র মাসের তালপাকা গরম; আর পচা ভাদ্র দেখে আসছে। কিন্তু বর্তমান কালে প্রযুক্তির কল্যাণে গ্রামগঞ্জের রাস্তা পাকা হওয়ায় মানুষ পচা ভাদ্রের সেই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেয়েছে। আর প্রযুক্তির উন্নয়নে ভাদ্রের তালপাকা শ্বাসরদ্ধকর গরম অনুভব করতে পারেনা। কারণ বেশী গরম অনুভূত হলে মানুষ ফ্যানের নীচে আশ্রয় নেয়। কিন্তু চলতি বছর বিদ্যুতের ভয়াবাহ লোড শেডিংয়ে ভাদ্রের তালপাকা গরম হাড়ে হাড়ে অনুভব করতে পারছে। শহরের বাইরে গ্রামাঞ্চলে কোন কোন দিন ১ ঘণ্টা বিদ্যুত সরবরাহের পরের ঘণ্টায় বিদ্যুত থাকে না। কোন দিন মিনিট অন্তর বিদ্যুত যাওয়া আসা করে। আর প্রতিদিন সন্ধ্যায় বিদ্যুতের অভাবে শিশুরা পড়া তো দূরের কথা, বহু শিশু রাতে না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। রান্না বাড়া নাওয়া খাওয়ায় প্রচন্ড ব্যাঘাত ঘটে। আবার কোন কোন দিন রাতে ২/৩ ঘণ্টার বেশী বিদ্যুত পাওয়া না। রাতে দিনে চলে বিদ্যুতের এই ভেল্কিবাজি। গত কয়েক দিন রাত দিন ২৪ ঘণ্টা গরমের অভাব নেই। কিন্ত দুপর রোদে আর গভীর রাতে প্রচন্ড গরম পড়ছে। বিদ্যুত না থাকায় গরমে মানুষ ঘেমে যায়। দিনে গরম থেকে বাচতে ঘরের বাইরে গাছের ছায়ায় আশ্রায় নিয়ে কেউবা গোসল করে বা ভিজা তোয়ালে দিয়ে দেহ ঠান্ডা করে। কিন্তু চরম বিপত্তি ঘটে রাতে। লোড শেডিংয়ের মধ্যে বালিশ ভেজা ঘামে ঘুম ভেঙ্গে যায়। হাত পাখার বাতাসে কাজ হয় না। শ্বাসের কষ্ট শুরু হয় মানুষের। বিশেষ করে বৃদ্ধ, শিশু আর রোগাক্রান্ত মানুষ গরমে হাসফাস করতে করতে মরণাপন্ন হয়ে পড়ে। শিশুরা কান্নাকাটি করতে থাকে। আর সকলেই আল­াহর নিকট প্রার্থনা করে কবে যে এই দুর্বিসহ গরম থেকে মুক্তি পাব। ফিরে পাব সেই আগের মত নিরিবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎত ব্যবস্থা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com