স্টাফ রিপোর্টার ঃ সাতক্ষীরা রসুলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। পলেস্তারা ধসে যে কোন মুহুর্তে ঘটতে পারে দূর্ঘটনা। জানাগেছে, ১৯৮৮ সালে জাতীয় অধ্যাপক মরহুম ডাঃ এম আর খানের প্রচেষ্টায় রসুলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ঐ স্কুলে ৫৫০ শিক্ষার্থী পড়াশুনা করে। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ভবনের বর্তমানে সব কক্ষই ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীরা পাঠ দান করছে। যে কোন সময় পলেস্তারা ধসে পড়ে শিক্ষার্থীদের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিদ্যালয় বর্তমানে ছাদ ফাটল ধরেছে। পলেস্তারা ধসে পড়ছে। শিক্ষার্থী শামী আহমেদ ও রাফি ইসলাম জানান, আমরা প্রতিদিন ক্লাস এসে আতঙ্কে থাকি। কখন দূর্ঘটনা ঘটে। শিক্ষকরা এটি নিয়ে চিন্তিত। আমরা নিরাপদ ভবন চাই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সুলতানা নার্গিস দৃষ্টিপাতকে জানান, বিদ্যালয়ের সাইকেল সেভের টিনের ঘরে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়ার কথা বললে শিক্ষার্থীরা ঐ রুমে ক্লাস করবে না। মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুমে তাদের ক্লাস নিতে হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভেঙ্গে নতুন ভবন নির্মানের জন্য সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি বরাবর আবেদন করেছিলাম। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অজিত কুমার সরকার দৃষ্টিপাতকে জানান, যে সকল বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের জন্য তথ্য দিয়েছেন তাদের বিষয়ে নতুন ভবনের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। একই সাথে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান থেকে বিরত রাখতে বলা হয়েছে। রসুলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। এ বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানান হবে।