খান হামিদুল ইসলাম পাটকেলঘাটা থেকে\ খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাটকেলঘাটা মির্জাপুর শ্মশানঘাট নামক স্থানে তেলবাহী ট্রাক ও এ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে মা ও নবজাতক কন্যাসহ ৩ জন নিহত হয়েছে। আশংকাজনক অবস্থায় আরো ৩জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুর ৩টার দিকে সাতক্ষীরার আশাশুনি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী এ্যাম্বুলেন্স (ঢাকা মেট্রো-ছ-১৪-০২০৭) ও অপর দিক যশোর থেকে সাতক্ষীরাগামী তেলবাহী ট্রাক (যশোর-ড-৪১-০০৬৫) পাটকেলঘাটার মির্জাপুর বাজার সন্নিকটে শ্মশানঘাট এলাকায় পৌঁছালে মূখোমূখি সংঘর্ষে আশাশুনি খলিষানী গ্রামের আতাউর রহমানের স্ত্রী তানজিলা বেগম (৪৫) তারই সদ্য নবজাতক কন্যা ও জামাতা সাতক্ষীরা সদরের নারানপুর গ্রামের ডালিম হোসেন (২৬) নিহত হয়। এসময় এ্যাম্বুলেন্সে থাকা ড্রাইভারসহ আরো ৩জন মারাতœক আহত হয়। আশংকাজনক অবস্থায় তাদের কে খুলনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত তানজিলার স্বামী আলাউল ইসলাম জানান, বাড়িতে বাচ্চা প্রসবের পর বাচ্চা অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজের নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় মির্জাপুর নামক স্থানে অ্যাম্বুলেন্স টি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শিমুল রানা জানান, দূর্ঘটনা কবলিত মাইক্রো থেকে আশংকাজনক অবস্থায় তিনজন উদ্ধার করে ২জন কে খুলনা ও অপরজন কে সাতক্ষীরায় পাঠানো হয়েছে। আর নবজাতক কন্যা ও তার মা ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, হাইওয়ে পুলিশ মির্জাপুর শ্মশানঘাটে প্রতিদিনের ন্যায় কাগজপাতি বিহিন গাড়ী ধরার জন্য চেক করার জন্য দাঁড়ায়, তার জন্য এখানে পর্যাপ্ত গাড়ীর সমাগম হয় একারনে দূর্ঘটনা হয়েছে। এ বিষয়ে খর্ণিয়া-চুকনগর হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ শওকত হোসেন বলেন, আমরা আজকে অবৈধ গাড়ীর কাগজপত্র চেক করার জন্য দাঁড়ানো হয়নি। এছাড়া দূর্ঘনার ১৪ মিনিটের মধ্যে আমরা ঘটনাস্থলে চলে আসি। এসময় দূর্ঘটনায় কবলিত মাইক্রো ও ট্রাক হাইওয়ে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। ঘটনাস্থলে ৩জন মারা যায়। পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।