রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অসংক্রামক ব্যাধির বিস্তারে বাড়ছে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ও গণভোট নয়, শুধু সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে ইইউ মিশন মিয়ানমার সীমান্তের গোলাগুলিতে টেকনাফে শিশু নিহত, আরেক শিশু গুলিবিদ্ধ সিলেট থেকেই শুরু হচ্ছে তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচারণা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সমস্যা দেখছি না ইইউ পর্যবেক্ষক দলকে প্রধান উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের বৈঠক মোছাব্বির হত্যা ব্যবসাকেন্দ্রীক হতে পারে: ডিবি জামায়াত আমিরের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারির সাক্ষাৎ নির্বাচনের পর মার্চের শেষে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিনে বৈধতা পেলেন ৫৮ প্রার্থী, নামঞ্জুর ৭

সাতক্ষীরার সর্বত্র স্বস্তির বৃষ্টি, কৃষি ও মৎস্য চাষে প্রাণ সঞ্চার

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৭ মে, ২০২৩

দৃষ্টিপাত রিপোর্ট \ তাপদাহের পর এবার সাতক্ষীরায় নামলো স্বস্তির বৃষ্টি। দীর্ঘ বিরতির পর বৃষ্টির কল্যানে জনজীবনে ও ফিরেছে গরমের শুন্যতা। গত কয়েকদিন যাবৎ প্রচন্ড তাপদাহের পাশাপাশি, প্রখর সূর্যের বিকিরন, লু-হাওয়া, ভ্যাপসা গরমে প্রানি কুলের জীবন ছিল ওষ্ঠাগত, মানুষের দৈনন্দিন স্বাভাবিক কর্মযজ্ঞ ব্যাপকভাবে ছন্দ্রপতন ঘটছিল সেই সাথে উৎপাদনে তাপদাহ অভিশাপে পরিনত হয়। জেলার কৃষিউৎপাদনে পিছিয়ে পড়ছিল, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত চিংড়ী শিল্প উৎপাদনে চরম প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ে। কৃষি খেত যেমন পানির অভাব হেতু হলুদাভাবে পরিনত হয় অনুরুপ বাবে চিংড়ী ঘের গুলোতে পানি শুন্যতার কারনে চিংড়ী মড়ক পর্যায়ে পৌছায় ও চিংড়ীর বেড়ে ওঠায় বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। সাতক্ষীরা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন ধরনের সাদা প্রজাতির মাছ চাষে এক ধরনের বিপ−ব সাধিত হয়েছে। দীর্ঘদিন বৃষ্টিপাত হীনতার কারণে সাদা মাছ চাষে ও বিঘœ ঘটছিল, সবজি বাগানের সবজি বেড়ে ওঠা ও ফলন না আসার কারন ছিল বৃষ্টিহীনতা। গতকাল সন্ধার পর পরই সামান্য দমকা হাওয়ার পরপরই শুরু হয় বৃষ্টিপাত। প্রায় ঘন্টাব্যাপী বৃষ্টিপাতে সাতক্ষীরায় শহরের কোন কোন সড়কে পানিবৃদ্ধি পায়। দীর্ঘ খরার পর বৃষ্টির পানিতে অনেককে ভিজতে দেখা গেছে। চাষীদের মাঝে আনন্দের ¯্রােত দেখা দিয়েছে। চিংড়ী ঘের, সাদা প্রজাতির মাছ চাষে গতি ফিরেছে। এবার সাতক্ষীরায় আমের বাম্পার ফলন হলেও মৌসুমে বৃষ্টিপাত হীনতায় আমের খুব বেশি বৃদ্ধি ঘটেনি বরঞ্চ প্রচন্ড তাপে আমের বোটা শুকিয়ে আমের ক্ষতি হয়েছে। গতকালের বৃষ্টি শেষ মুহুর্তে আমের আকার ও ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন আম চাষিরা। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে জানাগেছে, জেলার সর্বত্র বৃষ্টিপাত হয়েছে, বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি বজ্রপাতের ঘটনাও ঘটেছে। জনজীবনে অস্বস্তি কেটেছে, মানুষ কিছুটা হলেও প্রান খুলে শ্বাস নিচ্ছে। কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে আরও বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন এমনটি মনে করে চাষীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com