এফএনএস বিদেশ: মহাকাশে দীর্ঘ এক মাস নয় দিনের যাত্রা শেষে ভারতের মহাকাশযান চন্দ্রযান-৩ গত বুধবার চাঁদের বুকে অবতরণ করেছে। এর মাধ্যমে ভারত বিশ্বের এলিট ‘স্পেস ক্লাবে’ জায়গা করে নেয়। বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে ভারত এ গৌরব অর্জন করেছে। একইসঙ্গে দেশটি চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে অবতরণের দিক থেকে প্রথম। খবর বিবিসির। ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর তথ্য অনুসারে, চন্দ্রযান-৩ অভিযানে ৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় মোট ৬১৫ কোটি রুপির মতো খরচ হয়েছে। এ নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রশংসা কুড়াচ্ছে ভারত। বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তি তেসলা ও এক্সের প্রধান ইলন মাস্ক এর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, চন্দ্রযান ৩-এর বাজেট ইন্টারস্টেলার সিনেমার খরচের চেয়ে কম। এই মিশন ভারতের জন্য ভালো। ২০১৩ সালের ক্রিস্টোফার নোলান পরিচালিত ইন্টারস্টেলার সিনেমার খরচ সাড়ে ১৬ কোটি ডলার। যা চন্দ্রযান ৩-এর বাজেটের দ্বিগুণেরও বেশি। বিবিসি বলছে, এত কম খরচে পৃথিবীতে কোনো সফল মহাকাশ অভিযান লঞ্চ করার নজির খুব কমই। বিবিসির তাদের অনলাইন প্রতিবেদনে বলেছে, চন্দ্রযান-৩ এর খরচ হলিউডের বহু বিগ-বাজেট ও বøকবাস্টার ছবির নির্মাণের খরচের চেয়েও অনেক কম। স¤প্রতি মুক্তি পেয়েছে হলিউড মুভি ওপেনহাইমার ও বার্বি। এসব সিনেমা তৈরির চেয়েও কম খরচে সম্পন্ন হয়েছে চন্দ্রযান-৩। ‘বার্বি’র নির্মাণে যা খরচ হয়েছে, তার মাত্র অর্ধেক লেগেছে ভারতের এই মহাকাশ অভিযানে। ২০১৩ সালে হলিউড বিগ বাজেটের মুভি ‘গ্র্যাভিটি’ তৈরিতে খরচ ১০ কোটি ডলার, ২০১৫ সালের ‘দ্য মার্শান’ তৈরিতে খরচ হয় ১০ কোটি ৮০ লাখ। অন্যদিকে ভারতের ভারতের চন্দ্রযান-৩ এ খরচ হয়েছে সাড়ে সাত কোটি ডলার।