১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনারা দেশের মানুষের ওপর হামলে পড়ল, গুলি চালাল। ২৬ মার্চ সকালে শেখ মুজিব কি গ্রেপ্তার হলো, নাকি আত্মসমর্পণ করল তা নিয়ে ইতিহাসের বিতর্ক এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। রেসকোর্স ময়দানে ৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা আপনি (শেখ মুজিব) দিয়ে দিয়েছেন। ৭ মার্চের পর কেন পাকিস্তানিদের সঙ্গে আলোচনায় বসলেন। জাতির কাছে সেই ইতিহাস এখনো অপ্রকাশিত।’ ‘আপনি যদি দেশের স্বাধীনতাই চাইবেন, তাহলে আবার মিটিংয়ে বসলেন কেন। জাতি বুঝতে পেরেছে, আলোচনা সমঝোতা করে আপনি পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার চেষ্টা করেছেন। স্বাধীনতাই যদি চাইতেন, তাহলে পাকিস্তানি প্রেতাত্মা হায়েনাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতেন না। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো নেতা তার প্রতিপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করে ধরা দেয়নি। লাখ লাখ মানুষকে গুলির মুখে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়নি। ২৬ মার্চ বুধবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলার উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। শহরের মুন্সিপাড়াস্থ আল আমিন ট্রাস্টেও কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শেখ নুরুল হুদার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন— দলটির কর্মপরিষদ সদস্য ও শহর জামায়াতের আমীর জাহিদুল ইসলাম, জেলা অফিস সেক্রেটারী মাওলানা রুহুল আমিন, জেলা কর্মপরিষদ ও শহর সেক্রেটারী খোরশেদ আলম, শুরা সদস্য নজরুল ইসলাম প্রমুখ।—প্রেস বিজ্ঞপ্তি