শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
অসংক্রামক ব্যাধির বিস্তারে বাড়ছে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ও গণভোট নয়, শুধু সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে ইইউ মিশন মিয়ানমার সীমান্তের গোলাগুলিতে টেকনাফে শিশু নিহত, আরেক শিশু গুলিবিদ্ধ সিলেট থেকেই শুরু হচ্ছে তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচারণা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সমস্যা দেখছি না ইইউ পর্যবেক্ষক দলকে প্রধান উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের বৈঠক মোছাব্বির হত্যা ব্যবসাকেন্দ্রীক হতে পারে: ডিবি জামায়াত আমিরের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারির সাক্ষাৎ নির্বাচনের পর মার্চের শেষে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিনে বৈধতা পেলেন ৫৮ প্রার্থী, নামঞ্জুর ৭

ঈদের পোশাক তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছে নওয়াবেঁকীর দর্জিরা

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫

আটুলিয়া শ্যামনগর প্রতিনিধি \ শ্যামনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নওয়াবেঁকী বাজারে ঈদকে ঘিরে ব্যস্ততা বেড়েছে দর্জিপাড়ায়। বাড়তি চাহিদা থাকায় বাজারের দর্জির দোকানের পাশপাশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে পাড়া—মহল্লার দর্জিরা। ঈদের পোশাক তৈরীতে দর্জিরা ব্যস্ত সময় পার করছে। ঈদের আগে পোশাক ডেলিভারি দিতে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করছে এই সমস্ত দর্জিরা। মেশিনের ঘটর ঘটর শব্দ চলেছে বিরামহীন। একটানা কাজ করে চলেছে দর্জিরা। এতটুকু যেন দম ফেলার সময় নেই। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ করতে হবে। তাইতো মেশিনের সঙ্গে সমান তালে চলেছে হাত—পা। মেশিনের ঘটর ঘটর শব্দের তালে তৈরী হচ্ছে নানা ডিজাইনের পাঞ্জাবী, শার্ট, সেলোয়ার কামিজ, ফতুয়া, প্যাণ্ট, স্যুটসহ নানা ধরণের পোশাক। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দর্জির দোকানে ডিজাইন অনুযায়ী প্রতি পিস প্যান্ট সেলাই হচ্ছে ৩শত থেকে ৪শত টাকা, শার্ট ২শত থেকে ২৫০ টাকা, মেয়েদের থ্রি পিস প্রকারভেদ অনুযায়ী ২০০টাকা থেকে ৩শত টাকা, ব্লাউজ পেটিকোট ২শত থেকে ৩শত টাকা, বাচ্চাদের পোশাক ডিজাইনের ওপর নির্ভর করে মজুরি নেওয়া হয়। বাজারের বিশিষ্ট দর্জি বিসমিল্লাহ টেইলার্সের মালিক আব্দুল আলিম জানান, প্যান্ট ও শার্টের নতুন অর্ডার নিচ্ছে না তারা। আগের অর্ডার নেওয়া পোশাকগুলো সময়মত ডেলিভারী দেওয়াই তাদের প্রধান লক্ষ্য। তিনি আরও জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পোশাক ডেলিভারী দেওয়ার জন্য কারিগররা দিন—রাত কাজ করছে। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার অর্ডার অনেক ভালো। প্রতিদিন অনেক কাপড়ের অর্ডার পাচ্ছি। কাজের চাপে নতুন অর্ডার নেওয়া বন্ধ করেছি। মহিলা ও বাচ্চাদের পোশাক তৈরীর চাপ বেড়ে গেছে। নিখুতভাবে পোশাক তৈরী করার জন্য সময় একটু বেশী লাগে। এজন্য কারিগররা র্নিঘুম কাজ করে চলেছে। ঈদের আগেই পোশাক ডেলিভারী দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2013-2022 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com